জানুন পৃথিবীর শেষ প্রান্তে কি আছে?

 

জানুন পৃথিবীর শেষ প্রান্তে কি আছে?

পৃথিবীর শেষ প্রান্ত

আমাদের মনে একটা প্রশ্ন সবসময় ঘুরপাক খায়। তা হচ্ছে এই পৃথিবীর শেষ প্রান্ত কোথায় আর কি আছে? ১জন মানুষের পৃথিবীর এক প্রান্ত হতে অপর প্রান্ত যেতে সময় লাগবে কতক্ষণ? কারণটা একজন মানুষের পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যেতে হয়তোবা আজীবন লেগে যাবে। যদিও এ কথাটা সত্যি কিন্তু আসল কারনটা হল আমরা যদি মহাবিশ্বের বাইরের দিকে একটা সরলরেখা ধরে ক্রমাগত বিরামহীনভাবে অনন্তকাল ধরে যেতে থাকি। তারপরও আমাদের পক্ষে কখনই মহাবিশ্বের শেষ সীমানায় পৌঁছানো সম্ভব হবে না বরং আমরা যে জায়গা থেকে শুরু করেছিলাম সেখানে আবার ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন একটি উদাহরণের মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই পৃথিবীর সীমানা বের করতে পারবো। ধরুন, আপনি একটি ফুটবল হাতে নিলেন এবং সেই ফুটবলের ওপর একটি পিঁপড়ে ছেড়ে দিলেন এবং পিঁপড়াকে বললেন এই ফুটবলের শেষ সীমানা খুঁজে বের করো। আসলে সে পিপঁড়া কি কখনো সেই ফুটবলের শেষ সীমানা খুঁজে বের করতে পারবে? কোনোদিনও না। কারণ গোলাকার জিনিসের সীমানা খুঁজে বের করা সম্ভব নয় আসলে মানুষ কেন পৃথিবীর শেষ প্রান্তে পৌঁছাতে পারে না কারণ হলো আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার সূত্রের সাথে যদি আমরা সামঞ্জস্য করি তাহলে স্পেসটা অদ্ভুতভাবে বাঁকানো বা মচড়ানো যেটা আমাদের পক্ষে সঠিকভাবে কল্পনা করা সম্ভব হয় না। সহজ করে বলা যায় মহাবিশ্বটা বিশাল এবং নিরন্তর প্রসারিত হচ্ছে। এমন কোন ভুত ভুতের ভিতর ভেসে বেড়াচ্ছে না আমরা যখন বলি যে এসএমএস প্রসারিত হচ্ছে আসলে সেটা ভুল বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী এবং নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ওয়াইন মার্কেট ভাষায় সৌরজগৎ বা তারকালোক গুলো প্রসারিত হচ্ছে না এবং এসপেস নিজেও প্রসারিত হচ্ছে না বরং তারকালুক গুলো একে অপরের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।মহাবিশ্বটা একই সাথে বাউন্ডরেস। কিন্তু ফাইনাইট এটা বোধগম্য করা আমাদের অন্তর জ্ঞানের জন্য একটা বিশাল চ্যালেঞ্জ। জীববিজ্ঞানী হ্যান্ডেল মজা করে বলেছিলেন মহাবিশ্বটা আসলে আমরা যতখানি ভাবি তার থেকে বেশি অস্বাভাবিক। যতখানি আমাদের ইমাজিন করার ক্ষমতা আছে তার থেকেও অনেক বেশি অস্বভাবিক। এসপেসের বক্রতার ব্যাপারটা দেখার জন্য একটা উদাহরন ব্যবহার করা যেতে পারে।

 ধরুন, এমন একজন লোক একটি সমতল পৃথিবীতে বাস করে এবং জীবনে কখনো কোনদিন গুল জিনিস দেখেনি। তাকে যদি আমাদের পৃথিবীতে এনেছে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং সে আমাদের পৃথিবীর শেষ সীমানায় পৌঁছানোর জন্য হাঁটা শুরু করে তবে সে কোনদিনও তা খুজে পাবে না সে হয়তো একসময় যেখান থেকে শুরু করেছিলেন সেখানে আবার ফিরে আসবে। এই ব্যাপারটা নিঃসন্দেহে তাকে কিংকর্তব্যবিমূঢ় করে ফেলবে। সে কিছুতেই বুঝে উঠতে পারবে না। এটা কিভাবে সম্ভব। আমরা হচ্ছি আরো উঁচু মাত্রার এক্সপ্রেস এর মধ্যে সেই সমতলভূমির হতবুদ্ধি মানুষটির মতো। মহাবিশ্বের যেরকম কোন স্থান নেই, যেখানে আমরা দাঁড়িয়ে বলতে পারব। এটা হচ্ছে এর শেষ সীমানা সেরকম কোন কেন্দ্র নাই। যেখানে দাঁড়িয়ে আমরা বলতে পারব এইটাই হচ্ছে সেই জায়গা যেখানে থেকে সবকিছুর শুরু হয়েছিল। এটাই হচ্ছে মহাবিশ্বের আমাদের জন্য কেন্দ্রবিন্দুর জন্য মহাবিশ্বটা ততদূর লম্বা যতদূর পর্যন্ত আলো মহাবিশ্ব সৃষ্টির পর থেকে আজ পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছে। এই দৃশ্যমান বিষয়টা সম্পর্কে আমরা জানি বা যেটা নিয়ে আমরা কথা বলতে পারি মিলিয়ন মিলিয়ন মিলিয়ন মিলিয়ন মাইল বিস্তৃত। এরপরে আরো যা আছে সেটা হিসাব হয়তো সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করা যাবে না। আসলে সবই হচ্ছে একমাত্র মহান রব্বুল আলামীনের ইচ্ছা আর তার ক্ষমতা। বন্ধুরা এমনই সব অজানা তথ্য আর আজব পোস্ট পড়তে এবং  জানতে আমাদের ওয়েব সাইট clickoffice.club এর সাথেই থাকুন।এবং কমেন্ট করে জানান কোন ধরনের পোস্ট চান। সবাই ভাল থাকবেন।


*

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
নবীনতর পূর্বতন