কিভাবে তাড়াতাড়ি সরকারি চাকরি পাওয়া যায়।এর অসাধারন অজানা তথ্য

 

কিভাবে তাড়াতাড়ি সরকারি চাকরি পাওয়া যায়।এর অসাধারন অজানা তথ্য

সরকারি চাকরি পাওয়ার অজানা তথ্য

সাহিত্যিক ওয়ার্ল্ড উইথ ম্যান, একবার বলেছিলেন তুমি যদি সূর্যের আলোর দিকে মুখ করে দাড়াও তাহলে ছায়াটি তোমার পেছনে থাকবে। এটি একটি দারুন সত্যি কথা। চোখের মানুষের কাছে কোনো কিছুই অসম্ভব নয় কারণ তার মুখ আলোর অভিমুখে, যদি তুমি জীবনে সরকারি চাকরি পেতে চাও সাফল্য পেতে চাও তোমাকে অবশ্যই একটি অবিচার লক্ষ্যের প্রতি স্তির হতে হবে। এখনই জীবনের সেট করতে হবে, একটি স্বচ্ছ পরিষ্কার স্পষ্ট লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। এতে ঝাপসা অস্পষ্ট টার্গেট নয়। যদি তুমি জীবনে একই সঙ্গে একই সময় অনেকগুলি গোল্ড সেট করো অর্থাৎ অনেকগুলি লক্ষ্যের দিকে প্রকাশ করার চেষ্টা করো অথবা যদি তোমার জীবনের কোন লক্ষই না থাকে বা যদি তা ছানা পোষা হয় তবে নিশ্চিত থাকো তোমার জীবনের সফলতা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সুতরাং তোমার ভালোলাগা প্রফেশন বা ক্যারিয়ার খুব সাবধানে ইউজ করো। 

সব সরকারি চাকরি পরীক্ষার জন্য একইসঙ্গে প্রিপারেশন নিলে কোন পরীক্ষার জন্য তুমি নিজেকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলতে পারবে না এবং তোমার চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ক্রমশ চিহ্ন আসবে তাই তোমারে যৌবনের স্বর্ণালী দিনগুলো নিরর্থক চিন্তা করে লক্ষ্য বিন হয়ে কাটিও না। জগতের যে কোন পরীক্ষা অর্থাৎ চাকরির পরীক্ষা বা কম্পিটিটিভ এক্সামের জন্য পড়াশোনা শুরু করার আগে নিজেকে এই প্রশ্নগুলো করো। সততাকে আশ্রয় করে সত্যের সম্মুখীন হয়ে নিজের প্রতি একান্ত নিষ্ঠা দেখিয়ে নিজের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে একান্তে নিজেকে প্রশ্ন করো। তুমি নিজেকে আগামী পাঁচ বছরে কোথায় দেখতে চাও? আমি আবারো বলছি তুমি নিজেকে আগামী পাঁচ বছরে কোথায় দেখতে চাও? তুমি কি নিজেকে একটি নির্দিষ্ট সরকারি চাকরি দপ্তরের গ্রানি হিসেবে দেখতে চাও? তুমিকি রেলওয়ে টিকিট কালেক্টর হতে চাও অথবা স্টেশন মাস্টার প্ল্যান করতে চাও অথবা অফিসার? তোমার কি ব্যাংকে জব খুব আকর্ষণীয় লাগে? আচ্ছা তুমি কি ছোটবেলা থেকেই একজন আদর্শ স্কুল বা কলেজ শিক্ষক হবে বলে ঠিক করে রেখেছো? অথবা তুমি কি সিভিল সার্ভেন্ট হয়ে দেশের সেবা করতে চাও? তোমার পছন্দ কোনটি? সময় নিয়ে ভাবো খুব সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে স্থির হয়ে বসে মনকে শান্ত করো। এই নির্দিষ্ট চিন্তার প্রতি কেন্দ্রীভূত করে ভাবো ভাবো গভীর ভাবে ভাবো। কোন পেশা বা জব তোমার কাছে খুব আকর্ষণীয় লাগে। কনফেশন তোমার সবথেকে পছন্দের কোন দপ্তরে তুমি চাকরি করতে চাও। তুমি আগামী তিন চার বা পাঁচ বছরে নিজেকে দেখতে চাও। চাও মনকে উন্মুক্ত করে নিজের ভালোবাসাকে আবিষ্কার করতে শেখো।মনে রেখো নদী তীরবর্তী জল যদি ঘোলাটে এবং কর্দমাক্ত হয় তাহলে সেই জলের নিচের তলা কখনোই পরিষ্কার দেখা যায় না। কিন্তু জলতল যদি নিস্তরঙ্গ কাঁচের মত স্বচ্ছ হয় তাহলে সেই জলের তলা পর্যন্ত পরিষ্কার দেখা যায় এবং সহজেই সেই জলের গভীরতা পরিমাপ করা যায়। একই নিয়ম আমাদের মনের ক্ষেত্র খাটে, যদি আমরা অস্থির মনে হই সর্বদা শুধু আফসোস থাকে তাহলে আমাদের মন-ঘোলা জলের মতো হয়ে যায়। তখন নিজের মানসিক ক্ষমতা সম্পর্কে আমাদের ধারণা করা কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু মন শান্ত ও নিস্তরঙ্গ হলে তবেই আমরা কোনটা সব থেকে ভালো লাগা তা সহজেই বুঝতে পারি। 

তাই এই প্রশ্নগুলি নিজেকে স্থিরচিত্তে করুন, উত্তর অবশ্যই পেয়ে যাবে এবং তোমার মনের ভেতর কার আওয়াজ কান পেতে শোন। প্লীজ সেন্ড ইউর ইনার কলিং পরের কথা শুনো না। কোন কিছুর দ্বারা ব্রেইনওয়াশড মগজধোলাই করো না। জীবনের টেনশন হয় দুঃখ, মানসিক চাপ, হতাশা ইত্যাদির প্রেসার কুকার থেকে বেরিয়ে আসে। এই বর্তমান মুহূর্তে বেঁচে থেকে গভীর ভাবে। ভাবো আবেগ দিয়ে ভাবে, ভাবে যুক্তি দিয়ে। মা বোনকে সম্পূর্ন কেন্দ্রীভূত করে ভাবো পরিষ্কার করে ভেবে দেখো। তুমি জীবনে কোন প্রফেশনালে নিজেকে ভবিষ্যৎ তে দেখতে চাও কোন সরকারি চাকরি তুমি মন থেকে চাও। সবাই করছে বলে সেটাই করব। না! কিন্তু মন থেকে কোন জব পেতে চাও নিজেকে বারবার প্রশ্ন করো কোন পেশা, কোন পজিশনে তুমি নিজেকে ইন ফিউচার দেখতে চাও। সময় এবং জীবন অপচয় করো না। যে কোন চাকরি পরীক্ষার প্রিপারেশন শুরু করার অনেক আগে এগুলি গভীরভাবে চিন্তা করো মনের ভিতর পরিষ্কার ছবি দেখার চেষ্টা করো। চরম মনোনিবেশ করে দোস্ত হয়ে যাও এবং তারপরে ডিসাইড করো ফোন পাষাণ তোমার পছন্দের সেই সব ছাত্রছাত্রী এবং চাকরি পরীক্ষার্থী জেলার যেকোনো একটি সরকারি চাকরি পেলে চলবে বলে বেড়ায়। তাদের কাছে আমার কিছু প্রশ্ন আছে , তোমরা আমাকে বল পৃথিবীর কোন দেশে কোথাও এনি জব বলে কোন জব আছে কি। যার অর্থ তুমি এমনি জব পেতে চাইলে, আসলে তুমি লক্ষ্যহীন যদি কোন একটি নির্দিষ্ট চাকরির পরীক্ষায় লক্ষ্য চাকরি পরীক্ষার্থীর মধ্যে 300 জনের ফাইনালি চাকরি হয়। তুমি নিশ্চিত থাকো কেউই লক্ষ্য হয়ে জবের জন্য পড়াশোনা করে নি সুতরাং ক্যারিয়ারের লক্ষ্য সম্পর্কে ধারণা স্পেসিফিক অস্পষ্ট করো নষ্ট করো না। জীবনে বা ক্যারিয়ারে তুমি ভবিষ্যতে এমন জায়গায় এসে দাঁড়াবে যেখানে তুমি কখনোই আসতে চাওনি। আমি আবারও বলছি, তুমি ক্যারিয়ারের লক্ষ্য সম্পর্কে স্পেসিফিক হও স্পষ্ট ধারণা রাখো time-bound হইও না। হলে জীবনে বা ক্যারিয়ারে তুমি ভবিষ্যতে এমন জায়গায় এসে দাঁড়াবে যেখানে তুমি কখনোই আসতে চাওনি। আর এনি জব অর্থাৎ যে কোন জবের জন্য কখনোই পড়াশোনা করো না। করো তোমার বহুৎ বুদ্ধি মেধা-মনন কাজে লাগিয়ে সবার আগে লক্ষ্যস্থির কর। যদি তুমি কোনো রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে টিকিট কাউন্টারে দাঁড়িয়ে বল দাদা আমাকে যে কোন একটি স্টেশনের টিকিট দিন। একটি ভালো স্টেশনের শুনে টিকিট কাউন্টার থেকে নিশ্চয়ই তোমাকে বলবে আরে তুমি পাগল নাকি? কোন স্টেশনে যেতে চাও আগে তো ঠিক করে বল? বুঝতেই পারলে এমনকি ট্রেনে করে 5 কিলোমিটার জার্নি করলেও তোমাকে টিকিট কাউন্টারে পরিষ্কার দীপ্ত কণ্ঠে বলতে হয় তুমি কোথায় বা কোন স্টেশনে যেতে চাও? আর ভাবতো লাইফের জার্নি কত দীর্ঘ আর সেখানে লক্ষ্যহীন জাস্ট ভাবা যায় না। এবার যা বলছি খাতায় লিখে রাখো এবং ভবিষ্যতের সঙ্গে মিলিয়ে দেখো এখন তোমার কাজ হলো আরো স্পষ্ট বহুবিধ ও লক্ষ্য নিয়ে জীবন কাটানো নয়। একটি উদ্দেশ্যের প্রতি মনস্থির করো কত সময়ের মধ্যে তুমি সেই অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে। তাও স্থির করা খাতায় লিখে ফেলো এবার সেই জব পাওয়ার জন্য তোমাকে কিভাবে এগোতে হবে তার একটি রোডম্যাপ তৈরি করো। যদি সম্ভব হয় একটি ইনস্টিটিউটে ভর্তি হও। যেখানে তোমার কাঙ্খিত জব পাওয়ার জন্য তারা দক্ষতার সঙ্গে তোমাকে প্রশিক্ষণ দিতে পারে। এবং সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল তুমি যে প্রফেশনে যেতে চাও সেই ফিল্ডের যারা ইতিমধ্যে সাকসেস পেয়েছেন তাদের খুঁজে বের করো। তাদের সাথে সব কথা বলো, তাদের উপদেশ নাও এবং অবশ্যই তোমার কাঙ্ক্ষিত জবাব পেয়ে যাবে। অতীতে তোমার এলাকায় বা শহরে যারা ব্যর্থ হয়েছেন তাদের থেকেও জানার চেষ্টা করুন এবং নিজের বুদ্ধি দিয়ে বিশ্লেষণ করে বুঝে নিও কোন ভুলগুলো করলে তুমি ওদের মত হয়ে যাবে। 

এবার তোমাকে আটকাইতে এবং সর্বদা মনে রেখো স্বামী বিবেকানন্দ কি বলেছেন জীবনের যে কোন ফিল্ডে সাকসেস পেতে তিনি বলেছেন, জীবনে একটি মাত্র লক্ষ্য বেছে নাও এবং ওই লক্ষটিকে নিয়ে জীবন কাটাও। ওই লক্ষটি নিয়েই স্বপ্ন দেখো, যাপন করো। তোমার মস্তিষ্ক, মাংসপেশি, স্নায়ুতন্ত্র শরীরের সমস্ত অংশে নির্দিষ্ট লক্ষ্য দিয়ে পরিপূর্ণ বড় এবং অন্যান্য সমস্ত বিষয় গুলো কে দূরে সরিয়ে দাও। এভাবেই জীবনে সফলতা কে ছিনিয়ে আনতে হয়। তাই আর দেরি নয় বন্ধু আর প্রতীক্ষা নয় তোমার মস্তিষ্ক কে পজিটিভ চিন্তা ও বিশ্বাস দিয়ে পরিপূর্ণ করো আর সমস্ত ধরনের নেগেটিভ পুতুলদের সর্বদা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করো। সেই সব বিষাক্ত মানুষ ও বন্ধুদের এড়িয়ে চলা। সব সময় বলে বিশ্বাস করে চাকরি পাওয়া নিজেকে সত্যিই অসম্ভব। হ্যাঁ শুনতে একটু খারাপ লাগলেও এটাই তোমার করতে হবে। না হয় তোমার সমস্ত পদটি মাইন্ডসেট কে এক মিনিটে ভেঙে চুরমার করে দেওয়ার মত ক্ষমতা রাখে। এরা আসলে এনার্জি ভ্যাম্পায়ার অর্থাৎ তোমার সমস্ত এনার্জি চুষে নেবে। তাই এদের অভয়েড করো, খেয়াল রেখো এরা যেন তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে। তোমার চিন্তা কে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তোমাকে লক্ষ্যচ্যুত করতে না পারে। সর্বদা সজাগ থেকো আর যদি এদের অপারেট করা নিতান্ত নাই যায়। তাহলে এটলিস্ট এদের সঙ্গে ফিজিক্যালি থেকেও মেন্টালি এদের থেকে অনেক দূরে থাকো এবং এদের সামনে নীরব থাকার চেষ্টা করো। আর সর্বদা সামনে এগিয়ে চলো। যদি তুমি তোমার লক্ষ্যে পাথরের মত নিশ্চল স্থির থাকে এবং লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য একটি সঠিক প্রাক্টিক্যাল একশন প্লান রোডম্যাপ তৈরি করেতে পারো। তবে মহাবিশ্বের এমন কোন শক্তি নেই যে, তোমাকে তোমার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো থেকে থামাবে। সুতরাং একটুও মুহূর্ত সময় নষ্ট করো না। এখনই খাতা-কলম নিয়ে বসে লিখে ফেলো জীবনে কোন জব বা চাকরি তোমার চাই এবং কিভাবে সেখানে তুমি পৌঁছাবে। অর্থাৎ কোন রোড ম্যাপ ধরে তুমি সেই তোমার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছবে। মনে রেখো একজন মা যেমন তার গর্ভের সন্তান ধারণ করেন সেই রকম যদি তুমিও সততার সঙ্গে তোমার জীবনের বা ক্যারিয়ারের লক্ষ্যকে ঐরকম একিভাবে মনের মধ্যে ধারণ করতে পারো এবং যদি তোমার মনে নিরাপত্তায় থাকে যে তুমি তোমার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাবে এবং যদি তোমার সঠিক অ্যাকশন প্ল্যান থাকে তাহলে নিশ্চিত থাকো এই ইউনিভার্স তার সমস্ত শক্তি দিয়ে তোমার স্বপ্নকে সত্যি করে তুলবে। এটি পরীক্ষিত সত্য। কিছু সাইন্টিফিক এলিফ্যান্ট রোড শেষ করবো স্বামীজি অমর বাণী দিয়ে। তিনি বলেছেন জেগে ওঠো, সজাগ হও, যতক্ষণ না তোমার লক্ষ্যে পৌঁছানোর যাবে ততক্ষণ থেমো না। সাহসী হও এবং এক মনে তোমার নিজের গন্তব্যের দিকে এগিয়ে চলো।আমি জোর দিয়ে বলছি তুমি অবশ্যই তোমার ড্রিম জব, ড্রিম ক্যারিয়ার এ ল্যান্ড করবে। সে যেকোন মূল্যেই হোক এবং তার সর্বস্ব নিয়োজিত করো। তোমার শক্তি তোমার মনোযোগ, তোমার কঠোর পরিশ্রম আর অধ্যাবসায় জীবনের একটি মাত্র স্থির লক্ষ্যের প্রতি। এবং দেখবে সফলতা চিরজীবন তোমারই সঙ্গী হবে। শেষে বলি যদি এই পোস্টটি পড়ে তোমার মনোবল একটু বাড়ে, একটু ভালো ফিল করো বা একটু কাজে আসে।  তাহলে প্লিজ পোস্টটি তে একটা কমেন্ট করে আমাকে জানিও আর কমেন্ট বক্সে মাত্র একটি বাক্যে তোমার ক্যারিয়ারের লক্ষ্য কি? আমাকে এক্ষুনি জানাও আর যেসব বন্ধু প্রিয়জনদের এই পোস্টটি  দরকার বলে তুমি মনে করো। তাদের সঙ্গে চটপটকরে  শেয়ার করে নিও। সবাই ভালো থেকো লক্ষ্যের প্রতি পাহাড়ের মত নিশ্চয়ই স্থির থেকে। পোস্টটি পড়ার জন্য সবাইকে অনেক  অনেক ধন্যবাদ। আর এমনি কিছু অজানা তথ্য জানতে আপনার / আমাদের সবার ওয়েব সাইট clickoffice.club এ ভিজিট করে সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ 

আল্লাহ হাফেজ


*

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
নবীনতর পূর্বতন